March 9, 2021
  • 3:12 pm দুণিয়াআখেরাত পার্টির  উদ্যোগে  সিলেট  নগরীর বন্দর বাজারের পুলিশ ফাঁড়িতে  রায়হান নামক এক যুবককে নির্যাতন করে হত্যার প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্টিত   হয়।
  • 4:45 pm করোনা প্রতিরোধে মাক্স ব্যবহারে সিলেটে প্রচার প্রচারনা, ও ঔষধ বিতরন করেছে দুনিয়া আখেরাত পার্টি-
  • 4:21 am করোনা প্রতিরোধে মাক্স ব্যবহারে সিলেটে প্রচার প্রচারনা, ও ঔষধ বিতরন করেছে দুনিয়া আখেরাত পার্টি
  • 10:58 am দুনিয়া আখেরাত পার্টি(ডিএপি)নির্বাচন বর্জন করার কথা উল্লেখ করে সিলেট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে
  • 10:42 am দুনিয়া আখেরাত পার্টির(ডিএপি) নির্বাচন বর্জন করে নির্বাচনী ফ্রি-মেডিক্যাল ক্যাম্পে

গঠনের তাংঃ ২৮ জুলাই ২০০১

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের উপর সম্পূর্ণ আস্থা ও আনুগত্য প্রকাশ করে দুনিয়া আখেরাত পার্টির মূল তিনটি ভিত্তি- ধর্ম, গণতন্ত্র ও সমৃদ্ধির লক্ষকে সামনে রেখে দেশের অখন্ডতা স্বার্বভৌমত স্বাধীনতা ও দেশের আপামর জনগনের সার্বিক কল্যাণে লক্ষ্যে পাটির সকর কর্মকান্ড চালানো হবে।

প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার তার ধর্ম বিশ্বাস, চিন্তার স্বাধীনতা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সমৃদ্ধ সুন্দর শান্তিময় জীবন যাপনের মাধ্যমে শেষ পরিণতি মৃত্যু পর্যন্ত পৌছা। সে হিসাবে দুনিয়া আখেরাত পার্টিতে বিশ্বাসী। সকল ধর্মের বিশ্বাসীদের সম্পৃক্তিকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষ সবাই যার যার ধর্মের প্রতি দৃঢ় বিশ্বসী। ধর্মান্ধতা বা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ইসলাম ধর্ম সহ সকল ধর্মেই অগ্রহনযোগ্য ও নিন্দনীয় কাজ। ধর্মের পরশই দুনিয়া আখেরাত বা ইহজগত পরজগত এর মুক্তি ও শান্তি দিতে পারে। পৃথিবীতে সব ভাল কাজের উদ্দেশ্যই হচ্ছে ইহকাল ও পরকালের মুক্তি। আমরা যে ধর্মের লোকই হইনা কেন আমাদের শেষ গন্তব্য কিন্তু মৃত্যু- পরকাল বা আখেরাত।
ধর্মের গোড়ামী নয় ধর্মের সুশীতল পরশই মানুষকে সৎ সুন্দর ও শান্তি পূর্ণভাবে চলতে যে প্রেরণা ও সাহস যুগায় অন্য কোন আইন বা শাসন তা করতে পারে নাই বলে আমাদের দেশের সংস্কৃতিই পমাণ করে। ধর্মীয় আদর্শের অনুসারী হিসাবে আমাদের দেশে সকল ধর্মের মানুষের রয়েছে শান্তিপূর্ন সহ অবস্থান। ধর্মের উপর ভিত্তি করেই আমরা শান্তিময় সমৃদ্ধ ও বাংলাদেশ গঠন করতে পারব বলে দৃঢ় প্রত্যাশী। বাংলাদেশের মানুষ সা¤প্রদায়ীক ভেদ বুদ্ধির উর্ধে বিশ্ব পরিবারে গর্বিত জাতি। ধর্মের নামে এদেশের অনেক রাজনৈতিক দল আছে। তাদের প্রতি আমাদের সম্মান ও মর্যাদা রেখেই বলছি ধর্মের সঠিক মূল্যায়ন এর মাধ্যমে ধর্মের প্রকৃত পরশে এদেশে কোন রাজনীতি হয় নাই বলে আজও এদেশে াপ্রায় সকল মানুষ ধর্ম প্রিয় ধর্ম ভিরু হওয়া (ধর্মান্ধ নয়) সত্তে¡ও ধর্ম ভিত্তিক কোন দল আশানুরুপ ভাবে স্থানীয় বা জাতিও পযার্য়ে আবদান কতটুকু রাখতে পেরেছে তা সচেতন দেশবাসীর জানা।ধর্মের ঐশী পরশবিহীন রাজনীতি মরীচিকা, কাগজের ফুল,সুভাষহীন গহীন কাননের ফুল।
শুধু ধর্ম বা ধর্মের আনুষ্টানিক কর্মকান্ড দিয়ে ব্যক্তি সমাজ জাতি কোনদিন সমৃদ্ধি,শান্তি ও মর্যাদা সম্পন্ন হতে পারেনা । পরমত সহিঞ্চুতা বৃহত্তর জনগনের মতামতের মর্যাদা ও সম্মান প্রদর্শন তথা গণতান্ত্রিক ভাবে দেশের আলোবাতাসের আলোকে , দেশের মাঠির গন্ধে ,দেশমার্তৃকার আঁচলের আদরে পরশে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিত কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশকে বিশ্ব মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা সচেষ্ট থাকার দৃঢ় আশা নিয়ে দুনিয়া আখেরাত পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছি। মোটামোটি দলের মূল মন্ত্রতেই দলের উদ্দেশ্যে আদর্শ ও লক্ষ্যের সার সংক্ষেপ ফুটে উঠেছে বলে আমাদের বিশ্বাস ।

যারা ধর্ম, গণতন্ত্র,সমৃিদ্ধ এবং পরকাল (আখেরাত) বিশ্বাস করেন তারা যে ধর্মেরই হোন না কেন এবং দেশের যে প্রান্থেই অবস্থান করেন না কেন , সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় অনাবিল শান্তি সমৃদ্ধির পথে ব্যক্তি.সমাজ তথা দেশকে নিয়ে যেতে চান তাদেরকে দুনিয়া আখেরাত পার্টিতে সরাসরি যোগদানের আহবান জানানো হলো।

দেশের রাজনৈতিক অংগনে আমরা ক্ষদ্র তবে কাগুজে বাঘ নয়। ভন্ডামী আর ঠকবাজীর মুর্তপ্রতিক নয়। নয় কোন সৌরভহীন সুভাষহীন নিভৃত গহীন কাননের ফুল । রাজনৈতিক অংগনে বৃহৎ ও পজিটিভ অবদান ক্ষুদ্র দলও রাখতে পারে যদি উদ্দেশ্য মানব কল্যানের জন্য নিবেদিত থাকে, থাকে সঠিক, মহৎ ও ঐশী শক্তিতে বলীয়ান, এবং আদর্শ থাকে অটুট । নিজস্বার্থ সিদ্ধির আদর্শহীন রাজনীতি মানুষকে পথহারা যাত্রীর মত চালিত করে অন্ধকারে ধাবিত করে-ধাবিত করে অশান্তি, অরাজকতা আর অনিশ্চয়তার দিকে। বাংলাদেশে বড় বড় দলের অবস্থা আজ মরুভূমিতে সোনার মরীচিকার মত। বড় বড় দলের পেছনে মানুষ বিগত ৪০ বৎসর ধরে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত, প্ররিশ্রান্ত হতাশ। রাজনীতির নামে যে কোন উপায়ে ক্ষমতা দখল বা ক্ষমতা থেকে নামানো, লুটপাট, বোমাবাজি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দলীয় করন, আতœীয় করন ,বিত্তবর্ধন, ব্যক্তিস্বার্থ হাছিল ও ন্যায় অন্যায়-বিসর্জন দিয়ে রাজনীতিকে আশ্রয় করে আখের গোছানো। প্রকৃত অর্থে দেশে সঠিক কোন রাজনীতি নাই, রাজনীতির নামে চলছে ভন্ডামী ধোকাবাজী আর বেহিসাব লুটপাট। ভন্ডামী ও লুটপাট থেকে বেরিয়ে এসে দেশ ও জাতির খেদমত করতে ক্ষুদ্র পরিসরে সাধ্যমত চেষ্টা করার মানসে দুনিয়া আখেরাত পার্টির জন্ম। চাঁদ আলো দেয় আবার মাটির প্রদীপও আলো দেয়।সন্ধ্যা রবি দিবা শেষে কিরন শেষে রাত্রিকে আলো দেখায় মাটির প্রদীপ, মঙ্গল প্রদীপ। দেশের বিদ্ধমান রাজনীতিক দল সন্ধ্যায় ডুবন্ত রবির মত। রাত্রির অন্ধকার গোছাতে তাই ছোট ছোট জনকল্যানকর্মী রাজনৈতিক দলকে মাঠির প্রদীপের মত এগিয়ে আসতে হচ্ছে। কবির ভাষায় তাই বলতে-’’ কেহ লহিবে মোর কর্ম কহে সন্ধ্যা রবি, শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর ছবি, মাঠির প্রদীপ ছিল কহিল যে স্বামী মোর যা সাধ্য করিব তা আমি-।’’

দুনিয়া আখেরাত পার্টি মাঠির প্রদীপের মত আলো দিয়ে নিজেকে ধন্য করতে চায়।ধর্মের পরশে মহৎ উদ্দেশ্যে জনস্বার্থে রাজনীতি করলে কোন ক্ষয় নাই, লয় নাই। কারন বিশ্ব মানবতার নবী বলেছেন ”নিয়তের উপর তার কর্মফল নিহীত।” তিনি অন্য একটি হাদীসে বলেছেন “যে কোন ভাল কাজ করার ইচ্ছা করে আল­¬াহতালা তার জন্য দশটি পূন্য বা নেকী দেন’’। শুধু ভাল কাজের ইচ্ছাতে যদি দশটি নেকী বা পূন্য আল­¬াহতালা দান করে তবে ভাল কাজ করার পর পরম দয়ালু আল­াহ অগনিত নেকী দিবেন এটাইতো স্বাভাবিক, সুতরাং যারা রাজনীতির মাধ্যমে জন কল্যান করতে চান তাদেরকে বরন করে নিতে দল আগ্রহী , তাদেরকে সুস্বাগতম। আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতউল্লাহ।

খাদ্যঃ মানুষের জীবনে ধারনের জন্য অন্ন বা খাদ্যদ্রব্য ছাড়া বেচে থাকার কোন পথ নেই তাই প্রতিটি নাগরিকদের নির্ভেজাল খাদ্য দ্রব্য সুলভ মূল্যে সহজ উপায়ে পাওয়ার নিশ্চয়তা দিবে দল ক্ষমতায় গেলে। আমরা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর কর্ম কৌশলের মাধ্যমে সর্ব সাধারনের জন্য খাদ্যের উৎপাদন, বন্টন ও সহজ প্রাপ্যতার ব্যবস্থা নিব। জরুরী মনে করলে দেশের বাইরে থেকে ক্রয় করে ও খাদ্য মজুদ সবসময় রাখার অঙ্গিকার রইলো।
বস্ত্রঃ মানুষের লজ্জা নিবরণ সুখ শান্তি, ও শোভা বর্ধনের জন্য পোশাক পরিচ্ছদের জন্য বস্ত্র ও আনুষাঙ্গিক দ্রব্য দেশীয়ভাবে প্রস্তুত, সরবরাহ ও সুলভে সহজ প্রাপ্যতার জন্য আমরা, বস্ত্র তৈরীর কাঁচামাল আহরণ করে বস্ত্র কল এবং এ সংক্রান্ত কারিগরি ও প্রযুক্তি সহায়তা ও বেসরকারী ভাবে বস্ত্র উৎপাদন, সরবরাহকে আর্থিক ও প্রযুক্তি গত সহায়তার মাধ্যমে বস্ত্র শিল্পের অনুপ্রেরনা দেশীয় চাহিদা পুরন ও বিদেশে রফতানী করার ও উদ্যোগ নেয়া হবে।
বাসস্থান ঃ প্রতিটি মানুষের নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বা বাসস্থানের ব্যবস্থা করা আমরা কর্তব্য মনে করি। এর জন্য পরিবার ভিত্তিক বাড়ী বা বাসা হিসাবে এটি ইউনিট মনে করে বাড়ীঘরের জন্য মালমসলা, সুলভে প্রাপ্তির ব্যবস্থা করব। এ ছাড় স্বল্প খরছের বা নিম আয়ের রৈাকদের জন্য বাসা তৈরি করে আমরা কিস্তিতে বিক্রির ব্যবস্থা করে গৃহায়নের ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য শহর গ্রাম সকল যায়গায় একই নিয়ম চালু থাকবে। বাসস্থানের নির্মানের জন্য গৃহ ঋণ সহজ শর্তে গ্রাম ও শহরে দেয়া হবে। শহর থেকে মানুষকে গ্রাম মুখী করতে আধুনিক সকল সুবিধা যেমন বিদ্যুৎ, ফোন, যোগাযোগ শিক্ষা, স্বাস্থ্য সুবিধা দিলে শহরের মানুষ গ্রামে যাবে এবং শহরের একখন্ড জমির মূল্যে গ্রামে জমি সহ ভাল বাসস্থান তৈরী করার জন্য উৎসাহিত হবে। শহরে সরকারী উদ্যোগে লো-কোষ্ট ফ্ল্যাট বাড়ী তৈরী করে সহজ কিস্তিতে বিক্রি করে দেয়া হবে দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিমাপে ঘর বাড়ী তৈরীর জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।
চিকিৎসা ঃ স্বাস্থ্য সেবার চরম দুর্নীতি, ীুনয় এবং হযবরল অবস্থার ফলে গরীব ও গ্রামের লোকেরাই চিকিৎসা সেবা থেকে বেশী বঞ্চিত। এলাকা ভিত্তিক জনগোষ্টিকে চিকিৎসা ব্যবস্থায় নিদিষ্ট প্রাথমিক চিকিৎসা সহ বিশেষ কেন্দ্রে জটিল রোগের চিকিৎসার নেটওয়ার্ক তৈরী করার জন্য স্বাস্থ্য সেবাকে সরকারী খাতের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে শতকরা ৫৫ ভাগ সরকারী ও-৪৫ ভাগ বেসরকারী খাতে অংশিদারীত্ব দিয়ে জন স্পৃত্ততা বৃদ্ধি একটি ব্যতিক্রমি পর্যায়ে নিয়ে যাব যার ফল সাধারন মানুষ থেকে বিত্তশালী সবাই উপকৃত হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত সকল সাস্থ্য সেবাকে স্বাস্থ্য সহায়ক মনে করলে বা জনগোষ্টীর কাছে গৃহীত হলে তার স্বীকৃতি দেয়া হবে উৎসাহিত করা হবে। আমরা স্কুল মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ স্কুল হেলথ সার্ভিস চালু করব যার মাধ্যমে স্কুল ভতি’র সময় মেডিক্যাল চেক আপ বাধ্যতামূলক থাকবে।
শিক্ষা ঃ শিক্ষার ব্যাপারে “ব্যক্তির শিক্ষা জাতীর শিক্ষা’ হিসাবে শিক্ষাকে মনে করে স্বর্বজনী স্কিম নেয়া হবে। ব্যক্তিগত শিক্ষাকে জাতীয় শক্তি হিসাবে শান্তি সমৃদ্ধির মূল চাবিকাটি মনে করে সরকারী পর্যায়ে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত সকলের বাধ্যতামূলক সরকারী চিকিৎসা দেয়া হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা সহ ধর্ম শিক্ষার সাথে বিজ্ঞান প্রযুক্তি ব্যবসা বাণিজ্য, কম্পিউটার ও সমুদ্ধ ভাষা শিক্ষার সুযোগ সুবিধা দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করতে দল প্রতিশ্র“াত বদ্ধ নিরুসাহিত করে “প্রয়োজনের জন্য তৈরী” করা হবে শিক্ষিত জনগোষ্টী।
ছাত্রদের জন্য ১৮ বৎসরের আগে রাজনীতি করা আমরা নিষিদ্ধ করব এবং ডারা রাজনীতি করার ঘোষণা দিবে। তাদেরকে রাজনীতি করার জন্য সরকারী ভাবে অন্তত ৪ বৎসর ভাতা দেয়া হবে। যারা রাজনীতির জন্য ঘোষণা দিবে তারা অবশ্যই স্নাতক পাশ করতে হবে এবং নিদিষ্ট এলাকায় ৫ বৎসরের বিশেষ রাজনৈতিক ট্রেনিং এর অভিজ্ঞতার থাকার শর্তে এবং কোনসরকারী আধা সরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করিতে পারবে না এই অঙ্গিকার থাকতে হবে।
বিচারঃ বিচারব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হবে। বিচার ব্যবস্থায় প্রশাসনিক কোন ধরনের বিচার প্রবাব ইত্যাদি থাকবে না। বিচারব্যবস্থা কর্মচারীদের নিয়োগ বেতন, ইত্যাদি প্রেসিডেন্ডের পরামর্শ ক্রমে প্রধান বিচারপ্রতি করবেন। এ ব্যপারে জুডিশিয়াল সার্ভিস চালু করা হবে
আইনঃ দেশের প্রেসিডেন্ড ও প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক এবং সরকার প্রধান। ধর্মীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা এই পদে মহিলা নির্বিিচত না করার জন্য আইন পাশকরব। তবে মহিলাদের যথাযত সম্মান মর্যাদা, কর্মের স্বীকৃতি অবশ্যই থাকবে।
রাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থে প্রচলিত আইনকে মেনে নিয়ে (সংবিধান মেনে নিয়ে) প্রয়োজনের প্রেক্ষাপটে আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন করা যাবে। তবে এ ব্যপারে মৌলিক আইন কাঠামো ইউনিয়ন সরকারের ভূমিকা আমরা প্রাধান্য দিব। ইউনিয়ন সরকার সকল প্রাথমিক কর্মকান্ডের ভিত্তি হিসাবে গন্য হবে। ইউনিয়ন সরকার বলতে দল বর্তমান নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছাড়া ও আর তিন জন ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রতি ওয়ার্ডে দুই জনের পরিবর্তে পাঁচ জন নির্বাচিত সদস্য থাকবেন। ওয়ার্ড সদস্যরা তাহাদের ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি কাজের খাতওয়ারী দায়িত্বে নিদিষ্ট করে নিয়োজিত থাকবেন। সদস্যরা লিখিতভাবে তাহাদের প্রয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদে উত্থপিন করবেন। সদস্যদের উত্থাপিত চাওয়া পাওয়া ইউনিয়ন সরকার ভোটাভোটির মাধ্যমে এবং নির্ধারিত বাজেটের প্রাপ্তি অনুসার বা মওদুদ অনুসারে গ্রহণ করা হবে। নির্বাচিত সদস্য ও চেয়ারম্যান ছাড়াও আরও নয় জন গণ্যমান্য ব্যক্তি চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এর সিদ্ধান্তে ইউনিয়ন সরকারের সকল সিদ্ধাšত নেওয়ার জন্য সদস্যগন সভায় তাদের ভোটাধিকার মতামত দিতে পারবেন। এখানে ইলে¬খ্য যে, বর্তমান একজন সংসদ সদস্যের পরিবর্তে একজন সরকারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ব্যবস্থা আমরা রাখব।

ইউনিয়ন সরকারের বার্ষিক সভায় সিদ্ধান্ত সংসদ সদস্য সংসদের অধিবেশনে উত্থাপন করে প্রয়োজনীয় অর্থ আইন পাশ করিয়ে নিবেন। ইউনিয়ন সরকারের নিজস্ব বিচার ব্যবস্থা থাকবে। যারা সদস্য হলেন ইউনিয়ন পরিষদ এবং একজন সরকারী ম্যাজিষ্টেট ক্ষং প্রত্যেক ধর্মের একজন ধর্মীয় পন্ডিত যারা ধর্ম সংক্রান্ত কোন আইনগত সমস্যার জন্য পতোয়া দানে অভিজ্ঞ এবং অন্যান্য ধর্মের পন্ডিত যারা ধর্ম সম্বন্ধে যতেষ্ট জ্ঞান রাখেন)। ইউনিয়ন সরকারের বিচারের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিল করা যাবে। বিচারের রায় দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী হলে সরকারের আইন বিভাগ তা সংশোধন করে পুনরায় রায় ঘোষণার জন্য ইউনিয়ন সরকারের নিকট পুনবিবেচনার জন্য পাঠাতে পারবেন।
অর্থনীতি ঃ দুনিয়া আখেরাত পার্টি অবাধ মুক্ত অর্থনীতির নীাত অনুসরন করে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার জন্য ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি অনুসরন করবে। তবে বৃহত্তর জনগোষ্টীর স্বার্থে অতি ধর্মীদের সুপার ট্যাক্স এমনভাবে নির্ধারন করা হবে যাতে বঞ্চিত অবহেলিত গরীবদের জন্য রাষ্ট্র কিছু জনকল্যাণমূলক কাজ করতে পারে। ধনী গরীবদের ব্যবধান যাতে মাত্রাতিরিক্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হবে। উদ্যেমি, উদ্যেগী প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চায় এমন জনগোষ্টী বা মানব সম্পদকে সরকারী সহায়তায় শিল্প কারখানায় কৃষিখাত, ব্যবসা বাণিজ্যে উৎসাহ দেয়া হবে। বিভিন্ন ধরনের ঋণের মাধ্যমে।

দেশী শিল্প কারখারখানায় যেগুরো লোকসান দিচ্ছে তার বেসরকারী খাতে জরুরী ভিত্তিতে ছেড়ে দেয়া হবে। প্রয়োজনবোধে সরকারী বেসরকারী উদ্যেগে যৌত মালিকানার ক্ষতি গ্রস্থ কলকারখারখানা চালু করা হবে। দেশী বিদেশী শিল্প কারখারখানায় অবাধে গড়ে উঠার জন্য বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে লোক নিয়োগ দেয়া হবে। রফতানী বানিজ্যের দিকে বিশেষ খেয়াল রেখে আইন প্রণয়ন করা হবে যাতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজা সব সময় সন্তোষজনক থাকে। দেশের বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল, খনিজ সম্পদ ও মানব সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন করে দেশের আভ্যন্তরীন প্রয়োজন (৫ বৎসরের জন্য মজুদ রেখে) মিটিয়ে রফতানী ডেগ্যি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর জন্য বর্তমান খনিজ সম্পদ মওদুদের সঠিক হিসাব করে দেশের অর্থনীতি জরুরী সংকট মেটানোর জন্য শতকরা ২৫% সম্পদ রফতানী করার ব্যবস্থা নিব। এখানে উলেখ্য, প্রাকৃতিক সম্পদ শুধু মওদুদ রাখা লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশী করে। পরম দয়ালু আল¬ার জমিনে তার প্রিয় জনগোষ্টীকে প্রাকৃতিক সম্পদ দিয়ে দয় করেন। এতে তার প্রাকৃতিক সম্পদের কমতি হয় না। আমাদের বিশ্বাস বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ সহজ সরল জনগোষ্টীর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ দান করতে মহান আল¬ার ভান্ডার খোলাই থাকবে।
মানব সম্পদঃ- মানব সম্পদ উন্নয়নের আমরা প্রতিটি নাগরিকের পরিচয়পত্র দান করব। ফলে দেশের জনগোষ্টীর সংখ্যাসহ শিক্ষিত অশিক্ষিত সকল ধর্মের লোকের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। জনসম্পদকে জনশক্তিতে রুপান্তর করতে কর্মক্ষম জনগনের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হবে।

পররাষ্টনীতিঃ আমাদের পররাষ্টনীতি হবে জাতীয় স্বার্থ ও সংস্কুতি ও ধর্ম কাজে কোন ব্যায়াগাত হলে আমরা যে কোন দেশের সাথে সম্পর্ক ছেদ করতে প্রস্তুত থাকব।
যোগাযোগ পরিবেশই, ই-কর্মাস সহ সকল দিকেই আমরা জনকল্যাণ ও অগ্রাধীকারকে বিবেচনায় রেখে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা নিব।

সম্পানিত ভাইবোনেরা, বিভিন্ন জাতিগোষ্টী, ধর্ম বিশ্বাসী, উপজাতী আদিবাসী, সকল মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, পরিশ্রম সহশীলতা, সহ অবস্থান, ন্যায়নীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে লালন করে আমরা বিশ্বের এক সেরা সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই- এই প্রত্যাশায় দুনিয়া আখেরাত পার্টির জন্ম ও কর্মসূচী। আমাদের দুনিয়ার কাজের মাধ্যমে আমরা আখেরাত বা পরকাল যেন পাই সে উদ্দেশ্য সাধনে ও আমরা দৃঢ প্রতিজ্ঞা। আমাদের সহায় পরম করুনাময় আল¬াহ।

 

duniaakheratparty

RELATED ARTICLES
LEAVE A COMMENT

19 − 11 =